বাংলা কলোনিয়াল কবিতার ট্রেন্ড :: ইমরুল হাসান

Pillars_of_Bengali_Literature

কবিতা বিষয়ে লেখা পইড়া কেউ কবিতা লেখে শুরু করে না, কিন্তু অন্য সব বিষয়ের মতো কবিতা নিয়াও কথা-বার্তা বলার রেওয়াজ চালু আছে। কবিতা লেখা ও কবিতা পড়ার বাইরেও আমরা বুঝতে চাই জিনিসগুলা কি রকম… তো, এই লেখাটারে এই জায়গা থিকা দেখতে পারলে ভালো।

অমিত চক্রবর্তী রিকোয়েস্ট করছিলেন নতুন কবিতার জায়গাগুলা নিয়া কিছু লিখতে, তখন লিখতে গিয়া দেখলাম, আগে তো এগজিস্টিং জায়গাটারে বুঝতে পারার চেষ্টা করা দরকার। যার ফলে উনি যেই রিকোয়েস্ট করছিলেন সেইটা আর লিখতে পারি নাই, কিন্তু এর সাথে রিলিভেন্ট একটা লেখা হইছে মনে হয়।…

তারো আগে, এস এম রেজাউল করিমের সাথে কথা হইতেছিল, বাংলা নন-কলোনিয়াল কবিতার একটা এন্থোলজি করার ব্যাপারে; মানে, যেইখানে টেনডেন্সিগুলারে কিছুটা হইলেও লোকেট করা যায়। কিন্তু সেইটা তো অনেক মেহনতের কাজ, সময়ও দরকার অনেক। তো, এই লেখাটারে সেইটার একটা শুরু হিসাবেও ভাবা যাইতে পারে, একভাবে।

তো, ডিয়ার রিডার, লেখাটা পড়ার সময় এই ব্যাকগ্রাউন্ডগুলা মাথায় রাখতে পারেন। ইগনোরও করতে পারেন।

 —ইমরুল হাসান

প্রায় সব কিছুতেই, একটা সময়ে একটা ট্রেন্ড হয়তো ডমিনেটিং থাকে, কিন্তু তার মানে এইটা না যে, আর অন্য কোনো কিছু নাই বা থাকে না; বরং টাইমরে লিনিয়ার একটা জিনিস হিসাবে দেখার কারণে এই রকম মনে হয়। নদীর ব্যাপারে খেয়াল কইরা দেখবেন, সব নদী দক্ষিণেই যাইতেছে, সাগরে; কিন্তু তার স্রোত একটা না। এই রকম আরো উদাহারণ আছে। আর আইডেন্টিফিকেশনের ঝামেলাগুলা তো আছেই। যেমন ধরেন, বাংলা কবিতার শুরু ধরা হয় মাইকেল মধুসূধন দত্তে, ম্যাচুরিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে আর দ্যান জীবনানন্দ ও অন্য সব ঘটনা। তো, এইগুলা যে নাই —তা না, এইগুলারে একমাত্র ভাবার যেই ইতিহাস, সেই জায়গাটারে আমাদেরকে আরেকটু খেয়াল কইরা দেখা দরকার। কারণ বাংলা কবিতার ইতিহাস তো কলোনিয়াল আমল থিকা শুরু হয় নাই, এর আগে তো কবিতা (পুঁথি, মহাকাব্য, শ্লোক), নাটক (যাত্রাপালা), গল্প-কাহিনি (‘লোক-কথা’, কাহিনি) এইসব ছিল; কিন্তু প্রায় সব কিছুর শুরু এই কলোনিয়াল আমল থিকা ধরা হয় কেন? অনেক কারণই থাকতে পারে। ধরেন, অই সময় থিকা ছাপানো ব্যাপারটা শুরু হইছে, ফরম্যাট’টা চেইঞ্জ হইছে, ইউরোপিয়ান ঘরানার লগে মানানসই বা কম্পিটেবল হইতে শুরু করছে… মানে, একটা প্যারাডাইম শিফটের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এইরকম প্যারাডাইম শিফট কি হিস্ট্রিতে একবারই ঘটছে? – তা তো না। বরং শুরুর পয়েন্ট হিসাবে একটা জায়গারে আমরা ধইরা নেই, কারণ তাইলে আলাপ করতে সুবিধা হয়। কিন্তু শুরুর সময়ে বরং ক্যাওস থাকে একটা, যেইটা লিনিয়ার না। এই জেনারেল কথা’টা বাংলা ‘কলোনিয়াল’ কবিতার হিস্ট্রি ব্যাপারেও এপ্লাই করা যাইতে পারে। যে, এর শুরুটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে না। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, বঙ্কিমচন্দ্র, বিহারিলাল’রা অই শুরুটা করছিলেন, আরো অনেকেই এই ইউরোপিয়ান ফর্মটাতে কবিতা লিখতে শুরু করছিলেন। রবীন্দ্রনাথের সিগনিফিকেন্সটা হইতেছে উনি পুরান জিনিসগুলারে একভাবে ইউরোপিয়ান কায়দাটার লগে ব্রিজিংটা করতে পারছেন বা অই থট প্যাটার্নে ফেলতে পারছেন। ইন্ডিয়ান সাহিত্য-ই উনি করছেন, কিন্তু মিস্টিক একটা (ইউরোপিয়ান) ইন্ডিয়া’রে ফুটায়া তুলতে পারছেন। যেইটা ইন্ডিয়া, কিন্তু ইউরোপিয়ানদের পছন্দসই, মানানসই ইন্ডিয়া। এইভাবে রবীন্দ্রনাথ দিয়া বাংলা-কবিতার প্রাণ-প্রতিষ্ঠা হইছে বইলা মনে হইতে পারে আমাদের। কিন্তু দেখেন, কাজী নজরুল ইসলামরে যে রবীন্দ্রনাথের বিপরীতে পাবলিক দাঁড়া করাইতে চায় এখনো, এর কারণ এইটা না যে, পাবলিক কবিতা বুঝে না!, বরং পাবলিক কবিতার ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড’টারে মানতে রাজি না। যখনই এর বাইরের কোন স্পেইসরে রিলিভেন্ট কইরা তোলে কবিতা না-বোঝা 🙂 পাবলিকরা তারে কবি বইলা নিতে চায়! উদাহারণ হিসাবে, জসীমউদ্দিন’রে নিতে পারেন। পাবলিক তারে কবি বইলা মনে রাখছে কেন? গ্রাম-বাংলা নিয়া কবিতা লিখছেন বইলা? সুধীন্দ্রনাথ না লিখতে পারেন, কিন্তু বিষ্ণু দে কি লিখেন নাই? বরং জসীমউদ্দিন অই ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড’টারে নেন নাই পুরাটা। এখন না নিয়া উনি খুব ভালো কবিতা লিখছেন—এইটা আমার দাবি না। বরং এই কলোনিয়াল কবিতার লগে পাবলিকের একটা বিরোধের জায়গা যে আছে, সেইটারে কিছুটা ক্লিয়ার করতে পারে মনে হয়। তো, এই জায়গাটাতে জীবনানন্দ কেমনে ধীরে ধীরে রিলিভেন্ট হয়া উঠলেন? (জীবনানন্দ দাশ মিডল-ক্লাসেরই কবি, কিন্তু আর্টরে ক্লাস-স্ট্যাটাসের মধ্যেই আটাকায়া রাখলে ভুল হবে সেইটা; একটা আর্ট বা একজন আর্টিস্ট তার সামাজিক ক্লাসের বাইরে খুব কমই যাইতে পারার কথা, কিন্তু আর্ট হইতেছে এমন একটা ঘটনা যেইটা অ্যাক্রস দ্য ক্লাস ছড়ায়া যাইতে পারে বা সেই সম্ভাবনাটা নিয়া থাকে…) উনার সিগনিফিকেন্সটা হইতেছে উনি কাজী নজরুল ইসলাম বা জসীমউদ্দিনের মতন এড়ায়া না গিয়া ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ডের জায়গাগুলারে বরং ক্রস কইরা যাইতে চাইতেছেন; চিন্তার জায়গা থিকা না, কবিতার জায়গা থিকাই। এই যে উনার বিচ্যুতিগুলা, এইগুলা জাইনা-বুইঝাই করছেন, আমার ধারণা। মানে, অইরকম জাইনা-শুইনা তো কবিতা লেখা যায় না, ইনটেনশনালি ফলো করার কথা বলতে চাইতেছি আমি। জীবনানন্দ দাশের পরে প.বাংলায় অনেকেই উনার ট্রেন্ডটারে ফলো করছেন, মৃদুস্বরে কথা-কওয়া, টাইনা টাইনা সুরে বলা, এইরকম; কিন্তু কবিতার জায়গা থিকা বিনয় মজুমদার আর উৎপলকুমার বসুই কিছুটা আগায়া নিতে পারছেন। মানে, উনারা একটা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করতে চাইছেন; কিন্তু সেইটা জীবনানন্দের মতোই কলোনিয়াল কবিতার জায়গাটারে আত্মস্থ কইরা। যার ফলে একটা শিক্ষিত মিডল-ক্লাস গ্রুপের বাইরে উনাদের কবিতার কোনো জায়গা আছে বইলা আমার মনে হয় না। বাংলাদেশে ঘটনাটা এইরকম একতরফা না। এইখানে ফররুখ আহমদ ছিলেন, যিনি কাজী নজরুল ইসলামের প্রি-মর্ডান জায়গারে নিতে রাজি ছিলেন না। উনার মক্কা ছিলেন ইকবাল। উনি আরবী-ফার্সি মিথরে প্রায়োরিটি দিলেও ব্যাপারটা এক রকমের দেশীয় কালচারের জায়গারে ওপেন করতে পারছে; যদিও এক ধরণের এলিট মেজাজের মধ্যেই ঘুরপাক খাইছেন; কিন্তু একসেপশন হওয়ার সাহসটাও উনি রাখতে পারছেন। যার ফলে, শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ ও শহীদ কাদরী’রা উনারে ইসলামি বইলা ইগনোর করলেও একটা অস্বস্তি হিসাবে থাকার কথা এবং আল মাহমুদ পরে স্বতন্ত্র হওয়ার লাইগা উনারে তার আগের রেফারেন্স হিসাবে এস্টাবলিশ করছেন। (এইখানে একটা কথা বইলা রাখি, কবিতার কাজ কিন্তু তার পরের জেনারেশনের উপ্রে ইন্সফ্লুয়েন্স তৈরি করা না, বরং একটা অতীত’রে স্পষ্ট করা, যেইটা আমরা এতো দিন দেখতে পাইতাম না। আমার ধারণা, সব গ্রেট আর্টই কোনো না কোনো অতীতরে সামনে নিয়া আসে আমাদের।)

তো, শামসুর রাহমানদের পাশাপাশি বাউল আবদুল করিম, উকিল মুন্সী আমার ধারণা রেফারেন্স হয়া উঠতে পারবেন, ধীরে ধীরে। এইটারে কলোনিয়াল কবিতার বাইরে যাইতে চাওয়ার একটা ইচ্ছা হিসাবে আমি দেখি। ইউরোপ-আম্রিকাতে মার্কেট পাওয়ার ফলে রুমি, আত্তার, ফার্সি কবিরা রিলিভেন্ট হয়া উঠতেছেন, কিন্তু ফার্সি সাহিত্যের লগে বাংলার যোগাযোগ তো আরো পুরানা, সেইটা মনে হইতে পারবে আমাদের; উর্দু, হিন্দিও এমন কিছু না যে, যারা বাংলা-সাহিত্যরে খায়া ফেলতে আসতেছে; মানে অন্য রেফারেন্সগুলাও এখন আসতে পারতেছে। কিন্তু এইটা ইমিডিয়েটলি আসে নাই। এর পরে সত্তরের শ্লোগান-ধর্মী কবিতার কথা আমরা শুনছি, যেই টার্মের ভিতর দিয়া আবিদ আজাদের কবিতারে খারিজ করা হয় মেইনলি। তো, আল মাহমুদ বাংলা-কবিতার যেই ষড়যন্ত্র ও অস্বীকারের ইতিহাসের কথা কইছিলেন সেইটা অই সময় থিকাই শুরু হইছে, কড়াকড়িভাবে। ঢাকার আশির দশক নিয়া টোটাল একটা আলাপ কোথাও পাইবেন না। গান্ডীব গং’য়ের কথা শুনলে মনে হবে ছাঁট কাগজের মলাট বইলা কিছু ছিল না; ছাঁট কাগজের মলাট (এর নাম এখন অনেকেরই জানার কথা না) বলবে, অইগুলা সাহিত্যের বাইরের ঘটনা! এই রকম টুকরা টুকরা জিনিস; যে যার গর্তের ভিতরে মিথের গাট্টি নিয়া বইসা ছিলেন, আছেন। এই এইটিইসের এই রকম গর্ত থিকা বাইর হয়া আসছে নাইনটিইজের কিছু পপুলিস্ট কবিতা। এই পপুলিস্ট ট্রেন্ড থিকাই লোকাল ল্যাঙ্গুয়েজে কথা কওয়ার একটা ধরণ চালু হইছে, বাংলাদেশ হিসাবে আলাদা হওয়ার লাইগা মুসলমানি শব্দ ইউজ করা এবং এর বিপরীতে শুদ্ধ বানান, আসল বাংলা-ভাষা আবিষ্কার, ছন্দ ও গদ্য-ছন্দে লেখা কবিতা… এইসব জিনিস ভাইসা উঠতেছে, গত পনের-বিশ বছরে। আমার ধারণা, দশক-ওয়ারি চিন্তা করলে, সিক্সইটিইজ-সেভেনটিজের পরে আমরা তেমন বেশি আলাপ করতে পারবো না; কারণ সময়ের একটা ডিসট্যান্স তৈরি হইতে হয়, যে কোনো কিছুরেই ভালো কইরা দেখতে হইলে। এইটিইসের পরের জায়গাতে এই দূরত্বটা তৈরি হয় নাই এখনো। যার ফলে বাংলা কলোনিয়াল কবিতায় কি জিনিস চলতেছে, কি জিনিস আসতে পারে – এই আলাপটা সব সময় পিছলা একটা জিনিস হয়াই থাকে। এই কারণে না যে, যিনি বলতেছেন, তিনি ‘স্পষ্ট’ কইরা কথা কইতে পারেন না, বরং একটা টাইমরে স্পষ্টভাবে দেখতে হইলে যেই ডিসট্যান্সটা লাগে, সেইটা অই সময়ের মধ্যে সব সময়ই মিসিং থাকার কথা। কিন্তু আলাপের কনটেক্সট হিসাবে এই স্কেচ’টারে আমরা মনে রাখতে পারি।

২.

তো, ২০২১ সালে যারা বাংলা কবিতা লিখতেছেন, লিখবেন তারা নিজেদের লাইগা এই রকম একটা বিচার তৈরি কইরা নিবেন — এইটা আমার সাজেশন না। কিন্তু আমরা ভাবলে এই রকমের জিনিসগুলা আছে, না ভাবলে নাই —হিস্ট্রির মতোই কবিতার হিস্ট্রি এই রকম ইল্যুশনারি কোনো ঘটনা না। কবিতা সমাজের বাইরের কোনো ঘটনা না, যেই রকম আমাদেরকে শিখানো হয়। বরং আবু ইসহাকের সীরাতে রাসুল পড়তে গিয়া মনে হইতেছিল, অর্ধেক বই হইতেছে মোটামুটি এই ঘটনার পরে, অই যুদ্ধের পরে কি কি কবিতা লেখা হইছিল! এখনো দেখবেন, সামাজিক বা এনথ্রোপলজিক্যাল জায়গা থিকা শিল্প-সাহিত্যের উদাহারণ দেয়া হয়। তো, এইটা এই কারণে না যে, এইগুলা সোসাইটির সাব-কনশাস বা আন-কনশাস কোন এক্সপ্লোরশন, বরং এইগুলাই সোসাইটিরে বানায়। এই কারণে কবিতার হিস্ট্রির বাইরেও কবিতারে হিস্ট্রিক্যাল ঘটনার লগে মিলায়া ফেলা যেমন ঠিক না, একই ভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসাবে রিড করতে গেলে বড় ধরণের মিসরিডিং হইতে পারে সেইগুলা। এই ব্যাপারগুলা, আমার ধারণা, আমরা বুঝতে পারতেছি এখন। যার ফলে, এই সময়ে একটা সুযোগ আসতে পারে, জায়গাগুলারে রি-থিঙ্ক করার। যে, যেই কবিতা আমরা লিখতেছি, এইগুলা কলোনিয়াল কবিতা —এই আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা আরো স্পষ্ট হইতে পারবে বইলা আমার আশা আছে । কিন্তু তাই বইলা এইগুলা বাজে —তা না, কিন্তু এইটা মেইন ট্রেন্ড, এইটাই কবিতা —এই টাইপের বিপ্লবীপ্রেমিক হওয়ার জায়গা থিকা মুক্তি পাইতে পারি হয়তো আমরা। আর এর এগেনেস্টে একটা জাতীয়তাবাদী ও দেশি কবিতার চাষাবাদ শুরু হওয়ার একটা রিস্ক আছে, কিন্তু এই বেইজটারেই ইগনোর করতে পারাটা দরকার সবচে বেশি। এমন না যে, আপনি আপনার পারসোনাল ও সামাজিক জীবন নিয়া কবিতা লিখতে থাকবেন; হাজার বছরের বাংলা-কবিতার ধারায় ফিরা যাবেন, বরং আরো আরো স্পেইস যে আছে, সেই জায়গাগুলাতে সার্চিং’টা হইতে পারে একটা বেটার ঘটনা। তবে ঘটনা হইতেছে, আমরা যারা কবিতা লিখি, আমরা তো জানি, এইরকম থিওরেটিক্যাল জায়গা থিকা তো দূর কি বাত, কনশাস কোন থট দিয়াই কবিতার জায়গাতে যাইতে পারা যায় না; কিন্তু যতদূর পর্যন্ত কবিতার জায়গাগুলারে আমরা মার্ক করতে পারি, সেইটা হেল্প করতে পারে, অনেক সময়ই। এই জায়গাতে, আমার এক্সপেক্টশন হইলো, এই সময়ে যারা কবিতা লিখবেন, বাংলা কলোনিয়াল কবিতার ট্রেন্ড নিয়া উনারা কিছুটা হইলেও আন-ফোকাসড হইতে পারবেন। বুঝতে পারবেন, ট্রেন্ডি হওয়াটা কবিতার লাইগা বরং রিস্কি একটা বিষয়। নতুন ট্রেন্ড দিয়া খুব কম সময়ই নতুন কবিতা তৈরি হয়, বরং অনেক সময় একটা কবিতাই নতুন একটা ট্রেন্ডের শুরু করতে পারে।…

ইমরুল হাসান। কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম: ১৯৭৫। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s